বিজ্ঞাপন
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কবিরপুর চরে পদ্মা নদীর ভাঙন শুরু হওয়ায় ইটের তৈরি সড়কটিও ঝুঁকির মুখে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে সড়ক থেকে ইট তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁদের। বিপুল পরিমাণ ইটের একটি বড় অংশ গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের দাবি, সামান্য কিছু ইট জমা করে রাখা হলেও আড়ালে চলছে ইট বিক্রির কার্যক্রম। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোস্তফা হোসেন সরল বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তিনি ইট তুলে এনেছেন। ইট না তুললে সেগুলো নদীগর্ভে চলে যেত। এ কারণে ইটগুলো তুলে জমা করে রাখা হয়েছে। তাঁর হেফাজতে ৮২ হাজার ইট রয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
অন্যদিকে, ইট তুলে সংরক্ষণে রাখার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল কি না, সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি নর্থচ্যানেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন। সড়কের ইট তোলার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা ছিল কি না, তা-ও নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
এ বিষয়ে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, গুচ্ছগ্রামের সরকারি ঘরগুলোর ইট সংগ্রহ করে সংরক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে। তবে সড়কের ইট তুলে নেওয়ার বিষয়ে কাউকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, এসব ইট ব্যক্তিগতভাবে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। কেউ ইট বিক্রি করে থাকলে তা বিধিবহির্ভূত হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...