Logo Logo

রাজাপুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার


Splash Image

ঝালকাঠির রাজাপুরে পারিবারিক পরিচিতি ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে দফায় দফায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মো. আনিচ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


গ্রেপ্তার মো. আনিচ হাওলাদার রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব আঙ্গারিয়া এলাকার মৃত মোক্তার আলী হাওলাদারের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির মা প্রবাসে কর্মরত থাকায় সে পূর্ব আঙ্গারিয়া এলাকায় নানা বাড়িতে বসবাস করে আসছিল। অভিযুক্ত আনিচ হাওলাদার শিশুটির পরিবারের পূর্বপরিচিত হওয়ায় দুই পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। এই ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে তিনি প্রায়ই নানা বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং শিশুটির সান্নিধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করতেন।

এজাহার অনুযায়ী, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে পূর্ব আঙ্গারিয়া এলাকার একটি কলাবাগানের পাশে নির্জন স্থানে শিশুটিকে একা পেয়ে প্রথমবার ধর্ষণের চেষ্টা চালান আনিচ হাওলাদার। শিশুটি ভয়ে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে জানাতে পারেনি। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ অক্টোবর দুপুর ৩টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজের দোকানে ডেকে নেন। সেখানে পুনরায় শিশুটিকে ধর্ষণের অপচেষ্টা চালালে সে আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করে।

শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আনিচ হাওলাদার কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তী সময়ে শিশুটি তার পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। বিষয়টি জানতে পেরে শিশুর পিতা বাদী হয়ে শুক্রবার রাজাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত আনিচ হাওলাদারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আনিচ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...