বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে নীলফামারী শহরের ঐতিহ্যবাহী কালিবাড়ী-কালিমাতা পূজামন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় লে. কর্নেল মনজুর করিম (পিএসজি+এডি) বলেন, গত ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। আগামী ২১ অক্টোবর শুভ বিজয়া ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে।
তিনি জানান, নীলফামারী জেলার ৮১২টি পূজামণ্ডপের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে এসআরবি-১৩-এর পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এ বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু থাকবে।
এসআরবি-১৩, রংপুর-এর সিপিসি-২ নীলফামারী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু রোহানী পারভেজ রনীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং মোবাইল টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও প্রস্তুতি রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, কোনো পূজামণ্ডপে ভাঙচুর, চুরি, ডাকাতি কিংবা কোনো সম্প্রদায়ের ওপর হামলার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিমা বিসর্জনের দিনও জেলাজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা বহাল থাকবে।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়ানোর বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। গুজবের বিস্তার রোধে এসআরবি-১৩-এর সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাচ্ছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় পূজা উৎসব কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...