বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের আহাম্মদপুরে শ্রীশ্রী দুর্গামন্দিরে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, বস্ত্র বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে মানুষ নানা বাধার সম্মুখীন হয়েছে। আমরা ঘর থেকে বের হতে পারিনি, কোনো পূজামণ্ডপে যেতে পারিনি। এমনকি কবর জিয়ারত করতে গেলেও পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হতো। ওই সরকারের আমলে খুন, গুমসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা তারা করেনি। তাদের শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদ ছিল না।
উপস্থিত পূণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না। এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। ধর্ম কিংবা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।”
শারদীয় দুর্গোৎসব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরাও প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া এবারের দুর্গাপূজায় সরকার স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক ডা. মানস রঞ্জন চক্রবর্তী, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, খিদিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল ফজল, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মানিক মাস্টার, পূজামণ্ডপের সভাপতি তাপস রঞ্জন চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. নারায়ণ চক্রবর্তীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩০০ জন নারী ও পুরুষের মধ্যে পূজার উপহার হিসেবে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করেন। এরপর তিনি দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবার উদ্বোধন করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...