বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর পৌনে ৬টার দিকে বাংলা হেদায়েত এলাকায় সিন্ধু মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতিতে চলার সময় বাসটি সড়কের ডিভাইডার বা আইল্যান্ডে ধাক্কা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
নিহতদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে।
দুর্ঘটনায় আহত ৩৮ জনকে রাজনপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডেরা গাজী খান এবং আরও দুজনকে রহিম ইয়ার খানের শেখ জায়েদ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অগ্নিনির্বাপক ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ১০টি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে হতাহতদের সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
দুর্ঘটনার পর রাজনপুরের ডেপুটি কমিশনার ইমরান রাঞ্জা, জেলা পুলিশ সুপার এবং সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওমরকোট থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) শাকিল দ্রেশাক জানান, অবহেলা ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে বাসের চালক ও মালিক পালিয়ে গেছেন বলে জানানো হয়েছিল। তবে পরে রাজনপুরের ডেপুটি কমিশনার জানান, দুর্ঘটনায় আহত চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
এদিকে পাঞ্জাবজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহ চিত্রও উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, প্রদেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৩৫২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে এবং এসব দুর্ঘটনায় গড়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়।
এর আগে গত সোমবার মূলতানের বোসান রোডেও দ্রুতগতির একটি গাড়ি ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে আগুন ধরে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী পাঁচ তরুণ প্রাণ হারান।
সূত্র: ডন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...