বিজ্ঞাপন
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ৪০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।
কর্মশালার প্রোগ্রাম মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আইকিউএসি পরিচালক ড. মো. বশির উদ্দিন। রিসোর্স পারসন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক উপদেষ্টা এম. আমিনুর। কোর্স সমন্বয় করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ড. ঈশিতা রায় ও ড. বিতান খানম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, পদ ছোট না বড়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং প্রত্যেকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামান্য ভুল থেকেও বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। একজন নিরাপত্তাকর্মীর বেতন যত কমই হোক না কেন, তাঁর দায়িত্বের ওপরও একজন মানুষের জীবন নির্ভর করতে পারে। তাই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণার্থীরা নতুন কিছু শেখা ও জানার উদ্দেশ্যেই এ কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে নিজেদের নতুন করে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রশিক্ষণের যথাযথ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে অংশগ্রহণকারীরা যাতে কোনো ধরনের ফাঁকিবাজির আশ্রয় নিতে না পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রশিক্ষণ শেষে রিভিউ কিংবা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে প্রশিক্ষণের অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ নিশ্চিত হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, অনেক বিষয় জানা থাকলেও সেগুলোর নিয়মিত চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এ ধরনের প্রশিক্ষণে পারস্পরিক তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন কিছু শেখার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কারণ প্রত্যেকের জানাশোনা, উপলব্ধি ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ভিন্নতা রয়েছে। দিনশেষে প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে কাজে লাগে, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত উন্নয়নে চাকরিরত অবস্থায় এ ধরনের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। এ লক্ষ্য অর্জনে নিজেদের বর্তমান অবস্থান ও সক্ষমতা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। পাশাপাশি যেখানে যে ধরনের ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীজনদের প্রত্যাশা পূরণে যেন কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
কর্মশালায় কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীলতা, অফিস ব্যবস্থাপনা এবং কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞানের কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...