ছবি : এআই
বিজ্ঞাপন
দেশি হাঁস ১–১.২৫ কেজি (ছোট টুকরা), পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, পেঁয়াজ বাটা ½ কাপ, আদা–রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, লাল মরিচ ১–১½ চা-চামচ, ধনে ১ চা-চামচ, জিরা ½ চা-চামচ, হলুদ ½ চা-চামচ, গরমমসলা ½ চা-চামচ, তেজপাতা–এলাচ–দারুচিনি, লবণ, সরিষার তেল।
দই ¼ কাপ + আদা–রসুন + লবণ + ১ চা-চামচ সরিষার তেল। (দই/অল্প কাঁচা পেঁপে নরম হতে সাহায্য করে)
পদ্ধতি (৬ ধাপ):
১. কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে তেজপাতা–এলাচ–দারুচিনি ফোড়ন দিন; পেঁয়াজ কুঁচি সোনালি হলে পেঁয়াজ বাটা, আদা–রসুন বাটা দিয়ে কষুন।
২. শুকনো মসলা (মরিচ, ধনে, জিরা, হলুদ) সামান্য পানিতে গুলে ঢেলে তেল ছাড়ানো পর্যন্ত কষান।
৩. মেরিনেড করা হাঁস ঢেলে মাঝারি আঁচে ১২–১৫ মিনিট কষা—মাংসের জল ছেড়ে সঙ্কুচিত হবে।
৪. ঢেকে ধিমে আঁচে ৩০–৪০ মিনিট রান্না; প্রেশার কুকার হলে ২–৩ সিটি। (হাঁস নরম করতে লো–স্লো কুকিং জরুরি)
৫. ঢাকনা খুলে বেরেস্তা ও গরমমসলা মিশিয়ে পানি শুকিয়ে ভুনা করুন—কড়াইয়ের কড়কড়ে লেগে থাকা তেল–মসলা আলগা করে নাড়ুন।
৬. ধনে পাতা/কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে নামান। গরম ভাত/পরোটা—যে কোনোটার সাথেই দুর্দান্ত।
স্মেল কন্ট্রোল টিপস:
দই/ভিনেগার/লেবু দিয়ে হালকা মেরিনেড, অথবা ½ চা-চামচ কাঁচা পেঁপে পেস্ট—দুটোই গন্ধ কমায় ও টেক্সচার নরম করে।
চুইঝাল টুকরা, গোটা গরমমসলা ও পেঁয়াজ–মরিচ–হলুদের সাধারণ কষার সঙ্গে হাঁস ধীরে ধীরে সেদ্ধ করুন। শেষে জায়ফল–জয়ত্রী–মৌরি গুঁড়া ছিটিয়ে নামালে গা–মাখা ঝাল–ঘ্রাণ বেরোয়।
পেঁয়াজ–আদা–রসুন–কাঁচামরিচে কষা হাঁসে শেষে ঘন নারকেলের দুধ ঢেলে ৬–৮ মিনিট সিমার—ঝাল কম, ক্রীমি স্বাদ। বাসায় বাচ্চা–বুড়ো সবার জন্য মানানসই।
রান্না সহজ করার বিশেষ টিপস
১. মেরিনেডে দই/কাঁচা পেঁপে ব্যবহার করুন—নরম হবে, সময়ও বাঁচবে।
২. দেশি হাঁস শক্ত—লো–স্লো কুকিং বা প্রেশার কুকার ২–৩ সিটি কাজে দেয়।
৩. পেঁয়াজের বেরেস্তা—ভুনার গভীর রং–ঘ্রাণের মূল অস্ত্র।
৪. হাঁসের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে ঘ্রাণ ও স্বাদ অনেক বাড়ে।
৫. পরদিন রিহিট করলে স্বাদ বাড়ে—অল্প গরম পানি ছিটিয়ে ফুঁটিয়ে নিন (তেল আলাদা হয়ে আসবে)।
ভাত/খিচুড়ি, লাচ্ছা পরোটা বা নরম রুটি; পাশে লেবু–কাঁচামরিচ–শশা–পেঁয়াজের সিম্পল সালাদ। কুমড়ো দিয়ে হাঁস হলে ঝাল–অম্লতা তুলতে টক–ডাল/শুঁটকি ভর্তা দারুণ যায়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...