ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, “উন্নত ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মূল প্রেরণা কাজী নজরুল ইসলাম।”
সকাল থেকেই কবির সমাধিতে ভিড় করেন ভক্ত-অনুরাগী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রিজভী আহমেদ বলেন, নজরুল কেবল জাতীয় কবি নন, তিনি ছিলেন জাতির সংগ্রাম ও জাগরণের প্রেরণা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ জাতীয় আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর লেখা ও চেতনা সবসময়ই অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “স্বৈরাচার সরকারের পতন হলেও দেশে আজও প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। রমজানের আগেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ১৫ বছরের বঞ্চিত মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। উন্নততর গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে—যা বলে গেছেন কবি। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানও সেই চেতনাকে ধারণ করে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।”
রুহুল কবির রিজভী মনে করিয়ে দেন, জাতি যখন দিশেহারা হয়েছে তখন নজরুলের লেখা হয়ে উঠেছে আদর্শ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—সব সময়ই কবির রচনা যুগোপযোগী ছিল।
এদিন কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, নজরুল ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক দল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরাও আয়োজনে অংশ নেন। এছাড়া কবিকে স্মরণে রাজধানীসহ সারাদেশে পালিত হচ্ছে নানা কর্মসূচি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...