বিজ্ঞাপন
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপস্টেইন মামলার তদন্তে কংগ্রেসের সমন উপেক্ষা করায় ক্লিনটন দম্পতির বিরুদ্ধে মার্কিন প্রতিনিধি সভায় (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) ‘আদালত অবমাননা’ বা ‘কংগ্রেস অবমাননা’র (Contempt of Congress) ভোটের প্রস্তুতি চলছে। এমন এক সংকটময় সময়েই এই নথিগুলো জনসমক্ষে এলো।
গত শুক্রবার প্রকাশিত ফাইলগুলোতে বিল ক্লিনটনের কর্মীদের সঙ্গে এপস্টেইন এবং তার প্রধান সহযোগী গিজলেন ম্যাক্সওয়েলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। এসব নথিতে বেশ কিছু কুরুচিপূর্ণ ই-মেইল বিনিময়ের তথ্যও রয়েছে।
নথি অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন অন্তত ১৬ বার এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন। এছাড়া ম্যাক্সওয়েল এবং ক্লিনটনের কর্মীদের মধ্যে নিয়মিত ডিনার, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা নিয়ে নিবিড় যোগাযোগ ছিল বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরে প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সঙ্গে বিল ক্লিনটনের ছবি এবং এক ভুক্তভোগীর সঙ্গে তাকে ‘হট টাব’-এ দেখার তথ্য সামনে এসেছিল।
বর্তমানে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ এই সপ্তাহেই ক্লিনটন দম্পতিকে কংগ্রেস অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত করতে ভোট দিতে পারে। ইতিপূর্বে হাউজ ওভারসাইট কমিটির রিপাবলিকান সদস্যসহ কয়েকজন ডেমোক্র্যাট সদস্যও তাদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন। তদন্ত কমিটির মতে, ক্লিনটন দম্পতি ইচ্ছাকৃতভাবে সমন উপেক্ষা করে তদন্তে বাধা দিচ্ছেন।
যদিও ক্লিনটন দম্পতি সবসময়ই এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কিছু জানার কথা অস্বীকার করেছেন, তবে একের পর এক প্রকাশিত নথি এবং ব্যক্তিগত বিমানের ফ্লাইট লগ তাদের পূর্বের দাবিগুলোকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
বিশ্বজুড়ে আলোচিত এই মামলার তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে মার্কিন প্রতিনিধি সভার ভোট ক্লিনটন দম্পতির রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...