Logo Logo

টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপির বিরুদ্ধে খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা দেয়ার অভিযোগ


Splash Image

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আজিজ মাক্কী তার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল আজিজ মাক্কী জানান, গত কয়েকদিন ধরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা ও খালেক বাজার এলাকায় গণসংযোগকালে বিএনপি প্রার্থী এস এম জিলানীর কর্মীরা তাদের পথে বাধা সৃষ্টি করছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা ও তার ভাই মিরাজ মোল্লার নেতৃত্বে এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

মাক্কী বলেন, "প্রচারণাকালে আমাদের লক্ষ্য করে 'জামাত শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়' বলে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামী যখন বিএনপির সাথে জোটে ছিল, তখন তারা রাজাকার ছিল না; এখন ১১ দলীয় জোটে আসায় তারা রাজাকার হয়ে গেল?" তিনি আরও যোগ করেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে তার নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

ভুক্তভোগী এই প্রার্থী জানান, ঘটনার পরপরই তিনি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন। তবে বর্তমানে নির্বাচনের পরিবেশ কতটা নিরপেক্ষ থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রশাসনের কাছে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, "খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর প্রচারণায় কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।" তার দাবি, জামায়াত আমিরের ফেসবুকে মহিলাদের নিয়ে করা একটি মন্তব্যের প্রতিবাদে স্থানীয় যুবকরা স্লোগান দিয়েছে মাত্র, যা কোনো রাজনৈতিক বাধা ছিল না।

টুঙ্গিপাড়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম বলেন, "খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর অভিযোগের পর তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ওসির নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার খবর পাওয়া গেছে। পুরো বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।"

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...