বিজ্ঞাপন
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানান, সোমবার রাশিয়ার বাহিনী কমপক্ষে ৪৫০টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন এবং ৭০টি বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। মূলত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করাই ছিল এই হামলার প্রধান লক্ষ্য।
কিয়েভ সফররত ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের উপস্থিতিতেই এই ভয়াবহ হামলা পরিচালিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটোর প্রতি ইউক্রেনের সমর্থন ও মহাসচিবের সফরের প্রতিক্রিয়া জানাতেই মস্কো এই নজিরবিহীন আগ্রাসন চালিয়েছে।
ইউক্রেনের বেসরকারি বিদ্যুৎ পরিষেবা কোম্পানি ডিটেক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এটি চলতি বছরের সবচেয়ে বড় হামলা। এই হামলায় কোম্পানির ১০ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এমন এক সময়ে এই হামলা চালানো হলো যখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে রাশিয়া, ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই হামলা শান্তি আলোচনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশটিতে বর্তমানে মাইনাস ১৬ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। তীব্র এই শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ ও তাপ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সীমাহীন ভোগান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি উল্লেখ করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...