বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৪টায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
জানা গেছে, পোস্টাল ব্যালটের আওতায় বিভিন্ন কারণে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে অক্ষম ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং আইনগতভাবে কারাগারে থাকা বন্দি কয়েদিরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য গোপালগঞ্জ জেলায় মোট ৯ হাজার ৯৯৮ জন ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এদের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের পাশাপাশি জেলা কারাগারের বন্দি কয়েদিরাও রয়েছেন।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে মোট ৩৩ জন কয়েদি রেজিস্ট্রেশন করেছেন। রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলা কারাগারে মোট ৭২৪ জন কয়েদি ছিলেন, যার মধ্যে ২২ জন নারী। এর মধ্যে ৫ জন নারী কয়েদি এবং ২৮ জন পুরুষ কয়েদি পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।
পোস্টাল ব্যালট কার্যক্রমের প্রথম দিন মোট ৩টি ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে একটি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, পুরো কার্যক্রম অবাধ, সুষ্ঠু ও সুসংহতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
গণভোটে পোস্টাল ব্যালট কার্যক্রমের এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. অলিউল ইসলাম, জেলা পোস্ট মাস্টার উম্মে হাবিবা। এছাড়াও গোপালগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...