বিজ্ঞাপন
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আব্দুল রহমান মৌসাভি এবং বিপ্লবী গার্ডের এরোস্পেস বিভাগের প্রধান সায়েদ মাজেদ মৌসাভি এই নতুন ঘাঁটিটি পরিদর্শন ও আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেন। সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ এই দুই কর্মকর্তা ঘাঁটিতে উপস্থিত হয়ে বিপ্লবী গার্ডের মিসাইল সক্ষমতা ও যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।
ঘাঁটি উন্মোচনকালে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আব্দুল রহমান মৌসাভি জানান, শত্রুপক্ষকে যেকোনো পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ শেষে ইরান তাদের রণকৌশলে আমূল পরিবর্তন এনেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, তারা এখন প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান ছেড়ে আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করেছেন।
নতুন এই সমরকৌশলের আওতায় ইরান এখন অত্যন্ত দ্রুত সময়ে এবং বিশাল পরিসরে অভিযান পরিচালনার পদ্ধতি অনুসরণ করছে। একইসঙ্গে প্রতিপক্ষের যেকোনো আধুনিক সামরিক কৌশল চূর্ণ করার পাশাপাশি ‘অসম যুদ্ধ’ বা গেরিলা কৌশলে পারদর্শিতা অর্জনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্র তাদের যুদ্ধজাহাজসহ ব্যাপক সেনার উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশ আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিলেও শঙ্কা কাটছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি কূটনৈতিক আলোচনায় কোনো সমাধান না আসে, তবে মার্কিন বাহিনী ইরানে হামলা চালাতে পারে।
তবে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, এবার যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের হামলা চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে তার প্রভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...