গ্রাফিক্স : ভোরের বাণী।
বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি বিশ্বস্ত সূত্র এই আলোচনার সম্ভাব্য রূপরেখা সম্পর্কে তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রস্তাবিত এই কাঠামোর প্রধান শর্ত হলো ইরানকে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করতে হবে।
চুক্তির কাঠামো অনুযায়ী, ইরান আগামী ৩ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ রাখবে। এই সময়কাল পার হওয়ার পর তারা মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি পেতে পারে। বর্তমানে ইরানের কাছে থাকা উচ্চ সমৃদ্ধকৃত (৬০ শতাংশ পর্যন্ত) ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুদ তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর করার শর্তও রাখা হয়েছে।
পারমাণবিক কর্মসূচির পাশাপাশি ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোর বিধিনিষেধের প্রস্তাব করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরানকে মিসাইল উৎপাদন সীমিত করার পাশাপাশি এগুলোর আঘাত হানার পাল্লা বা সীমা কমিয়ে আনতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহ ও হুতির মতো আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে ইরানকে।
সূত্র মারফত জানা গেছে, দুই দেশের মধ্যে একটি ‘অগ্রাসনবিরোধী চুক্তি’ (Non-Aggression Pact) সই করার প্রস্তাবও মধ্যস্থতাকারীদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরাসরি যুদ্ধ বা হামলা এড়ানোর একটি আইনি পথ তৈরি হতে পারে।
যদিও মধ্যস্থতাকারীদের এই প্রস্তাবিত কাঠামো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ওয়াশিংটন শুরু থেকেই জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে যে, যেকোনো নতুন চুক্তিতে পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি মিসাইল কর্মসূচি এবং প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
সূত্র: আলজাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...