বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরের কিং কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার ২৯ দফার এই ‘উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অঙ্গীকার’ তুলে ধরেন।
ট্রাক প্রতীকের এই প্রার্থী তার ইশতেহারে ফেনীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো পরিত্যক্ত দোস্ত টেক্সটাইল মিলের জায়গায় আধুনিক শিল্প পার্ক ও এসএমই জোন স্থাপন এবং প্রবাসীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে ‘ফেনী ইনভেস্টমেন্ট ডেস্ক’ গঠন করা।
যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ট্রেনিং সেন্টার এবং নারীদের স্বাবলম্বী করতে ‘অদম্য নারী তহবিল’ নামে বিশেষ ফান্ড গঠনের ঘোষণা দেন তিনি। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সদর হাসপাতালে অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং শহরের যানজট নিরসনে পাঁচগাছিয়া ও পাগলামিয়া সড়ককে ওয়ান-ওয়েতে রূপান্তরের পরিকল্পনাও ইশতেহারে স্থান পেয়েছে।
শহরের জলাবদ্ধতা ও যানজট দূর করতে খাল প্রশস্তকরণ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং রেলগেটে ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তারিকুল ইসলাম। পাশাপাশি লালপোলে ফ্লাইওভার বা আন্ডারপাস নির্মাণ এবং সিএনজি স্ট্যান্ডগুলো শহরের বাইরে স্থানান্তরের মাধ্যমে ফেনীকে একটি আধুনিক পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নে শহীদ জহির রায়হান হল পুনঃনির্মাণ, সরকারি পাইলট স্কুল ও কলেজের হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ এবং প্রতিটি উপজেলায় মানসম্মত আবাসিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের কথা জানান তিনি। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষায় হারিয়ে যাওয়া মক্তব শিক্ষা চালু এবং মাদক ও কিশোর গ্যাং মোকাবিলায় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইশতেহারে আরও রয়েছে—পুরানো এয়ারপোর্ট পুনরায় সচল করা, তরুণদের জন্য সমবায় রাইড শেয়ার চালু, হকারদের জন্য হলি-ডে মার্কেট এবং শহরে আগত নারীদের জন্য বিশেষ টয়লেট ও ব্যায়ামের জোন স্থাপন।
সংবাদ সম্মেলনে তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে ফেনীকে একটি স্মার্ট ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সমর্থকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...