বিজ্ঞাপন
উপজেলার কপিলমুনি, হরিঢালী, লতা, দেলুটি, সোলাদানা, চাঁদখালী, রাড়ুলী ইউনিয়ন এবং পাইকগাছা পৌরসভায় ধারাবাহিকভাবে এই মতবিনিময় ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাপ্পি নির্বাচনী অভিজ্ঞতা, ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
পথসভায় বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, “নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই। আমরা সামান্য ভোটে পরাজিত হলেও দেশব্যাপী বিএনপির ভূমিধস জয় হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি পাইকগাছা অঞ্চলে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তার ভাষায়, জনগণের প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়নই হবে আগামীর প্রধান লক্ষ্য।
সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের প্রসঙ্গ টেনে বাপ্পি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ ভোট ধানের শীষে পড়েছে বলে তার কাছে তথ্য রয়েছে। এ কারণে কেউ যদি তাদের প্রতি কোনো ধরনের রক্তচক্ষু দেখানো বা অসদাচরণের চেষ্টা করে, তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে সতর্কবার্তা দেন তিনি। বক্তব্যে তিনি সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, জেলা বিএনপি নেতা আশরাফুল আলম নান্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম এনামুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, বিএনপি নেতা শেখ ইমদাদুল হক ও জিএম মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছাত্রদলের উপজেলা সদস্য সচিব সাদ্দাম হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এমন মতবিনিময় কর্মসূচি রাজনৈতিক যোগাযোগ ও সমর্থকদের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাইকগাছায় এ কর্মসূচি ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...