Logo Logo

সম্প্রীতির গোপালগঞ্জ গড়তে চান নতুন ৩ সংসদ সদস্য


Splash Image

স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসে এই প্রথম গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিপুল বিজয়ী হয়েছেন। নবনির্বাচিত তিন সংসদ সদস্যই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তারা জেলাটিকে একটি সাম্য, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।


বিজ্ঞাপন


শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর তার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নিজের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, গোপালগঞ্জের মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তার প্রতিদান হিসেবে শান্তি, নিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম কাজ। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা জোরদারে আমি বদ্ধপরিকর।

‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত ডা. বাবর নির্বাচনের আগে দেওয়া তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে গোপালগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আমি আমূল পরিবর্তন বা বিপ্লব ঘটাব। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নসহ মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত শহর গড়াই আমার লক্ষ্য। বিগত সরকার যা করতে পারেনি, আমি সেই অপূর্ণ কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই। আমাদের নেতা তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় এ জেলায় বিশেষ উন্নয়ন উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানীর একাংশ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে আমাদের সমাজ নানাভাবে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। আমার প্রথম অগ্রাধিকার হবে এই বিভেদ দূর করে মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ফিরিয়ে আনা। সমাজে শান্তি ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারলে জেলাটি সত্যিকারের সম্প্রীতির জেলায় পরিণত হবে।

অন্যদিকে, গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী এলাকাকে মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইতিপূর্বে পরিকল্পিতভাবে এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমি আমার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করব। যাতে এলাকার বেকার যুবসমাজ ও বিভিন্ন পেশার মানুষ কাজের সুযোগ পায় এবং স্বাবলম্বী হতে পারে।

নবনির্বাচিত এই তিন প্রতিনিধিই জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের প্রসারে একযোগে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তারা মনে করেন, দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন গোপালগঞ্জ গড়াই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...