বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মাহবুবুর আলম রানা বলেন, সম্প্রতি এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বার্থান্বেষী মহল রাশেদুল ও বাহাদুরের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং একটি পরিকল্পিত অপপ্রচারের অংশ।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আক্কাস আলী ও অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য নাহিদুজ্জামান তাদের বক্তব্যে বলেন, ঘটনার সঙ্গে রাশেদুল বা বাহাদুরের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছেন। মূলত তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই একটি মহল বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে।
মাদ্রাসার সাবেক প্রধান শিক্ষক মুনায়েম আকন্দ জানান, রাশেদুল ও বাহাদুরের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই মাদ্রাসা ও এতিমখানাটি পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। এমনকি তারা নিজেদের অর্থায়নে এলাকার দুটি পাড়ার জন্য কবরস্থান নির্মাণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা কেবল নিজেদের হীন স্বার্থ হাসিলের জন্যই এসব করছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষে রিনা বেগম বলেন, রাশেদুল ও বাহাদুর সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের কারিগর। তাদের বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এ বিষয়ে রাশেদুল ও বাহাদুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাদের সম্মানহানি করছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
প্রতিবেদক- মোঃ আরিফুর রহমান, শেরপুর।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...