বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণে ওই বাসার আসবাবপত্র ভস্মীভূত হওয়ার পাশাপাশি ভবনের লিফট ছিঁড়ে যায় এবং বিভিন্ন তলার দরজা- জানালা চুরমার হয়ে যায়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান চিকিৎসক রফিক উদ্দিন আহমেদ জানান, দগ্ধ ৯ জনেরই শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সবার অবস্থাই কমবেশি আশঙ্কাজনক। এর মধ্যে তিনজনের শরীর ১০০ শতাংশ, একজনের ৮০ শতাংশ এবং দুইজনের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধ তিন শিশুর মধ্যে দুইজনের ২৫ শতাংশ এবং একজনের ২০ শতাংশ বার্ন হয়েছে। চমেক হাসপাতালে আইসিইউ সংকটের কারণে এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে তাদের ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়েছে।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫) ও রানী আক্তার (৪০)।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ওই ভবনে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সংযোগ রয়েছে। বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন জানান, কোনোভাবে চুলা বা পাইপলাইন থেকে গ্যাস লিক হয়ে রান্নাঘরে জমে ছিল। ভোরে আগুন জ্বালাতে গেলে বা বৈদ্যুতিক স্পার্ক থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমানে স্বজনরা দগ্ধদের অ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন। এদিকে, বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...