বিজ্ঞাপন
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত রাতে কীর্তন শুনতে গেলে রাকিব, সোহেল ও রাসেল নামে তিন যুবক ওই নারীকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নেয়। পরবর্তীতে ধোপাবাড়ির দরজায় নিয়ে তার মুখ চেপে ধরে এবং জোর করে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে দেয়। এরপর একটি সুপারি বাগানের ভেতরে নিয়ে ওই তিন যুবক পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।
তজুমদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সামছুল আলম সোহেল জানান, ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে অত্যন্ত গুরুতর ও রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসার সময়ও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই নারী ইশারায় তার ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংসতার বর্ণনা দেন এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগীর রক্তমাখা পোশাকসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...