বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, হুমায়ুন কবির দেওয়ানের বিরুদ্ধে এ মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী একটি অভিযোগ তুললে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি অভিযোগটি তদন্তের জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির প্রতিনিধি ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অর্থ) আব্দুল নুর। তার উপস্থিতিত্বে অধ্যক্ষের কক্ষে অভিযোগকারীদের নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। এ মাদ্রাসার শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। কমিটির অভিযোগকারীদের অভিযোগ শুনে হুমায়ুন কবির দেওয়ানের বক্তব্য জানতে চান। তিনি তার বক্তব্য দান শুরুর ২ থেকে ৩ মিনিট পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হরিয়ে ফেলেন। সেখান থেকে তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে, চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। অভিযোগ উঠেছে, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি মাদ্রাসা কর্তৃক পক্ষ শেষ না করে তাকে চাকুরীচুত্য করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির প্রতিনিধি আব্দুর নুরকে আহবায়ক করে এ ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের বাড়ী থেকে আসার সময় ও তদন্তকালীন সময় বহিরাগত কিছু দুস্কৃতিকারী তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। তদন্ত কমিটির লোকজন তার সাথে রুঢ় আচারণ ও চাপ সৃষ্টি করে। এতে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
তদন্ত কমিটির আহবায়ক ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অর্থ) আব্দুর নুর জানান, তদন্ত শুনানির শেষ পর্যায়ে হুমায়ুন কবির দেওয়ান অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তিনি আরো জানান তিনি সম্পূর্ণ নিরাপরাধ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের কোন ভিত্তি পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসার কয়েকটি শিক্ষক ও এলাকার একটি কুচক্রি মহল তাকে চাকুরীচুত্য করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনায়ন করেছে। এর সাথে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির ইন্দন থাকার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মান্নান জানান, তদন্তচলাকালীন সময় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাইন উদ্দিন জানান, তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। তদন্ত কমিটি তাদের কাজ করছে। মৃত্যুর ঘটনা তিনি শুনেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...