বিজ্ঞাপন
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলা-র এই আলেম বলেন, সাধারণ মানুষের মাঝে দ্বীনি শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। মাহফিল আয়োজক কমিটির প্রতি তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— তাঁকে সম্মানী হিসেবে একটি টাকাও দিতে হবে না। তাঁর এই ঘোষণায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
মাওলানা আবু তাহের জানান, তিনি প্রখ্যাত আলেম আল্লামা গহরপুরী (রহ.)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত। ২০১১ সালে শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করার পর থেকে এ পর্যন্ত কোনো মাহফিল বা ধর্মীয় কাজে তিনি কারও কাছে অর্থ দাবি করেননি বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং এলাকার মানুষের দ্বীনি উন্নতি— এ দুটিই আমার উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।”
উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষার জন্য তিনি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া হুসাইনিয়া গহরপুর থেকে ১৪৩২ হিজরি (২০১১ খ্রিষ্টাব্দ) সনে তাকমীল (মাস্টার্স সমমান) সম্পন্ন করেন।
বর্তমানে তিনি ভূগী উত্তর পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ‘ভূগী দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা’-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও কাজ করছেন, যেখানে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের দ্বীনি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রথম পর্যায়ে নারান্দিয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় আয়োজিত দ্বীনি মাহফিলে তিনি এই সেবা প্রদান করবেন বলে জানিয়েছেন। দ্বীনি প্রয়োজনে সরাসরি তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (০১৭৬৩-৪৪০৪১৩) যোগাযোগ করা যাবে।
মাওলানা আবু তাহেরের এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগকে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ওলামায়ে কেরাম সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকের মতে, বর্তমান সময়ে যখন মাহফিল আয়োজন ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে, তখন তাঁর এই সিদ্ধান্ত অন্য বক্তাদের জন্যও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।
ধর্মীয় চর্চা ও সমাজ উন্নয়নে এমন উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মন্তব্য করেছেন এলাকাবাসী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...