বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে ভুক্তভোগী গ্রামবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রতিকার দাবি করেন।
উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের দুর্গম চরশালেহপুর ও মুন্সিরবাজার এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ— জনৈক কবির খাঁর নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রায় ৪০০ পরিবারের এক হাজার একর জমি দখল করে নিয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পৈতৃক ও সরকারি বন্দোবস্তের জমি দখল করার পাশাপাশি তাদের চাষ করা ফসল লুট করা হচ্ছে এবং প্রতিবাদ করলে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মোসলেম মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, “২০১৫ সাল থেকে আমার জমি দখল করে রাখা হয়েছে। প্রতিবাদ করায় আমার ছেলের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। গত রবিবার রাতেও আমাকে মারধর করে হুমকি দেওয়া হয়েছে যেন আমরা প্রশাসনের কাছে না আসি।”
লাইলী বেগম নামে আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, জমিতে শাক তুলতে গেলেও তাকে মারধর করা হয়েছে এবং দলিল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তার ঘরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কবির খাঁ। তিনি দাবি করেন, তাদের কাছে সরকারি বন্দোবস্তের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে এবং আদালত তাদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে তিনি পাল্টা দাবি জানান।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়গুলো মূলত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এলাকায় কেউ শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল উদ্দিন বলেন, “অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ পেয়েছি। সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডের মাধ্যমে তদন্ত করে দ্রুতই এর সমাধান করা হবে বলে ভুক্তভোগীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...