Logo Logo

কলাপাড়ায় চৌকিদার নিয়োগে ঘুষকান্ড, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন


Splash Image

পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, গত দুই দিন আগে একটি চক্র গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) নিয়োগে অবৈধ অর্থ লেনদেনের ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তাঁর মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মৌখিক বক্তব্যে তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, কিছু ব্যক্তি তাঁর কাছে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের সুপারিশ নিয়ে এসেছিলেন। তিনি তাঁদের যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের বিষয়টি পরিষ্কার করে দেওয়ার পরও তাঁরা জোরপূর্বক তাঁর কাছে কিছু টাকা রেখে চলে যান। পরবর্তীতে তিনি সেই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দেন এবং জানান যে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে। তাঁর দাবি, এই সাজানো ঘটনাকেই পুঁজি করে একটি চক্র ভিডিও ধারণ করে তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই একটি পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করে আসছে। ইতিপূর্বে তাঁকে অনাস্থা দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছিল, যা পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) হস্তক্ষেপে সমাধান হয়।

তবে সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইউপি চেয়ারম্যান একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য স্বীকার করেন। তিনি জানান, গ্রাম পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় যে প্রার্থী প্রথম হয়েছিলেন, তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। কারণ হিসেবে তিনি ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘ছাত্রলীগ’ করার অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন এবং তাঁর পরিবর্তে নিকটতম ফলাফলকারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান। তবে এই প্রক্রিয়ায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ইউএনও মহোদয় নিজেই সম্পন্ন করেছেন।

হাফেজ আব্দুর রহিম প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...