বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৬ মার্চ) জারি করা এই নোটিশে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ১ কোটি ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৩৭৭ টাকা চুক্তিমূল্যের এই প্রকল্পের আওতায় সাতটি খালের মধ্যে ছয়টির কাজ আংশিক শুরু হলেও একটির কাজ এখনও শুরুই হয়নি। সম্পাদিত কাজের বিপরীতে ইতোমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫২ লাখ ৭১ হাজার ১১ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। তবে কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি চূড়ান্ত বিলের জন্য আবেদন করেছে এবং বিল আদায়ের জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
খাল খনন সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে বদ্ধ পানিতে মশা ও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঝালকাঠি পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) টি. এম. রেজাউল হক রিজভী এ বিষয়ে বলেন, “ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত এবং লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে।”
অন্যদিকে, আজমির বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রোপাইটর মো. সরোয়ার হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, প্রকল্পের সময়সীমা শেষ হওয়ার এক বছর পর এ ধরনের নোটিশ জারি করা যৌক্তিক নয় এবং তারা নিয়ম মেনেই কাজ সম্পন্ন করেছেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নে এমন স্থবিরতা ও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...