বিজ্ঞাপন
নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন ও অত্যন্ত দুর্গম এলাকা হওয়ায় ঘটনার বিস্তারিত বিলম্বে জানাজানি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ওই পাড়ার একটি ঘরের রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। পাড়াটিতে মাত্র ৮টি পরিবারের বসবাস ছিল, যার মধ্যে ৫টি ঘরই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘটনার সময় পাড়ার প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা জুম চাষের কাজে দূরে থাকায় এবং পাড়ায় শুধুমাত্র শিশু-কিশোররা উপস্থিত থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
তারাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ ত্রিপুরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের আসবাবপত্র বা প্রয়োজনীয় কোনো সামগ্রীই রক্ষা করতে পারেনি। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয়ের তীব্র সংকটে পরিবারগুলোর মধ্যে হাহাকার বিরাজ করছে।
ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রামটিতে মোট ৭টি পরিবারের বসতঘর ছিল (ভিন্নমতে ৮টি), যার মধ্যে ৫টি ঘর পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে চাল, ডাল, তেল ও কম্বল বরাদ্দ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। এছাড়া ফারুয়া সাব-জোনের কমান্ডার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসনাত জাহান খান জানান, এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় খবর পেতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী দ্রুত পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে আরও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...