বিজ্ঞাপন
শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের নামাজ শেষে তিনি শহরের সরকারি শিশু পরিবার (এতিমখানা) পরিদর্শন করেন এবং শিশুদের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে সরকারি শিশু পরিবারের পুরো পরিবেশ শিশুদের হাসি-আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে। স্নেহভরা মুহূর্তে জেলা প্রশাসক শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জীবনের খোঁজখবর নেন। পরিবারের সান্নিধ্যহীন এই শিশুরা জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাকে কাছে পেয়ে এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় সময় অতিবাহিত করে, যা তাদের ঈদের আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করে।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মুখে হাসি ফোটাতে পারে। এই শিশুরা আমাদেরই সন্তান। তাদের পাশে থাকা এবং ভালোবাসা দেওয়া আমাদের মানবিক দায়িত্ব। আজ তাদের হাসিমুখ দেখে মনে হয়েছে, ঈদের আসল সৌন্দর্য ও সার্থকতা এখানেই।”
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রও অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান। তিনি বলেন, “এই শিশুদের আনন্দই আমাদের মূল প্রেরণা। পরিবার থেকে দূরে থেকেও তারা যেন কোনোভাবে ভালোবাসার অভাব অনুভব না করে, সেই দায়িত্ব আমাদের সবার। ঈদ আমাদের একে অপরের পাশে দাঁড়াতে এবং আনন্দ ভাগ করে নিতে শেখায়। সেই চেতনা থেকেই আমরা তাদের সঙ্গে এই বিশেষ সময়টি কাটাতে পেরে আনন্দিত।”
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। শিশুদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি এক অনন্য উৎসবে পরিণত হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...