বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের ডোমনমারা গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, গোলাপ মিয়ার ছেলে জীবনের সঙ্গে রিমা আক্তারের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২৯ মার্চ রিমা নিজ ইচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে জীবনকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাদের বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া ও রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সূত্রমতে, জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী রিমার বয়স ১৯ বছর হওয়ায় আইনগত কোনো বাধা ছাড়াই শরীয়াহ মোতাবেক তাদের কাবিন সম্পন্ন হয়েছে। তবে মেয়ের সন্ধান না পেয়ে বাবা সেলিম মিয়া জীবনের পাশাপাশি প্রতিবেশী আরও চারজনকে আসামি করে মনোহরদী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী রিমা আক্তার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্কে নিজের ইচ্ছায় জীবনকে বিয়ে করেছি। আমার বাবা-মা আমার অমতে জোরপূর্বক অন্য জায়গায় বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, যা আমি মেনে নিতে পারিনি। বর্তমানে আমরা সুখে-শান্তিতে সংসার করছি। কিন্তু আমার বাবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার স্বামী ও নিরীহ প্রতিবেশীদের হয়রানি করছেন।”
শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের নিশ্চয়তা চেয়ে রিমা আক্তার আরও বলেন, “অযথা এই মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিবারকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যেন এই মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার করা হয় এবং আমাদের নিরাপদে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...