বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মোশারফ হোসেন মোল্লা গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের বিল সংক্রান্ত কাজে পিআইও কার্যালয়ে যান। এ সময় পিআইও তার কাছে অতিরিক্ত ঘুষ দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, প্রকল্পের বিল উত্তোলনের জন্য তিনি এর আগে পিআইওকে ২০ হাজার টাকা প্রদান করেছিলেন। কিন্তু এরপরও বিল অনুমোদন না করে পুনরায় অর্থ দাবি করা হয়। তিনি অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পিআইও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রকাশ্যে মারধর করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় পিআইও আব্দুল জব্বার ইউপি সদস্যের শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে মোশারফ হোসেন মোল্লা বলেন, “আমি নিয়ম মেনে কাজ সম্পন্ন করার পরও বিল পাসের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই। এরপরও আবার টাকা দাবি করলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এতে তিনি আমাকে অপমান ও মারধর করেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...