বিজ্ঞাপন
আদালত ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই ব্যক্তি মোসাদের কাছ থেকে ইরানের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থাপনা শনাক্তকরণ এবং বিস্ফোরক তৈরির বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। তারা ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও সরকারি অবকাঠামোতে অগ্নিসংযোগ করে সেগুলোর ভিডিও ধারণ করে মোসাদের সদর দপ্তরে পাঠাতেন বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব নাশকতামূলক কাজের বিনিময়ে তারা ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাটির কাছ থেকে পারিশ্রমিক হিসেবে বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণ করেছেন।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের তেহরানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং একটি সামরিক কেন্দ্রে নতুন করে হামলার মিশন দেওয়া হয়েছিল। তবে তাদের গতিবিধি ও নেটওয়ার্কের ওপর আগে থেকেই কড়া নজরদারি চালাচ্ছিল ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। নাশকতার চূড়ান্ত প্রস্তুতির সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার যেকোনো বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।
এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাধ্যমে বিদেশি গুপ্তচর সংস্থাগুলোকে একটি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...