বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলের বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি বলেন, জনগণের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও দখলদারিত্ব বন্ধ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম দূর করে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই তাদের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্তরে দলীয়করণ, নিয়োগ বাণিজ্য এবং পদোন্নতিতে অনিয়ম বাড়ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এসব ইস্যুকে সামনে রেখে জনমত গঠনের অংশ হিসেবে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিভাগীয় সমাবেশের সময়সূচি অনুযায়ী, ১৬ মে রাজশাহী, ১৩ জুন চট্টগ্রাম, ২০ জুন খুলনা, ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল এবং ২৫ জুলাই সিলেটে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
হামিদুর রহমান আজাদ আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহার কারণে মে মাসে সীমিত কর্মসূচি থাকলেও জুন থেকে আন্দোলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এসব সমাবেশে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, সমাবেশের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে জনমত গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সাত বিভাগে বিষয়ভিত্তিক সেমিনারও চলমান থাকবে।
সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে। সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
উল্লেখ্য, ‘গণভোট অনুমোদিত জুলাই আদেশ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ১১ দলীয় জোট বর্তমানে দুই সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীতে এবং ২৫ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন মহানগরে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২ মে সব জেলা শহরে গণমিছিল করার কর্মসূচিও রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...