বিজ্ঞাপন
শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “মাগুরার মানুষের জন্য আমার ভালোবাসা সারা জীবন থাকবে। আমার শতভাগ বিশ্বাস আছে, ওখানে নির্বাচন করলেই আমি জিতব। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মানুষ আমাকেই ভোট দেবে। মাগুরার মানুষ আমাকে আবার সুযোগ দেবেই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “একবার পূর্ণাঙ্গ সুযোগ পেলে আমি যে কাজ করব, তাতে বারবার সুযোগ চাওয়া লাগবে না। আমি নিজের কাজের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চাই।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাকিবের সংসদ সদস্য পদ চলে যায়। তবে রাজনীতির ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো পরিকল্পনা তার নেই। সাকিব জানান, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি অংশ নিতে চেয়েছিলেন।
সাকিব বলেন, “আমি তো এবারের নির্বাচনই করতে চেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম নির্বাচন করি এবং ভোটে দাঁড়িয়ে (জনপ্রিয়তা) দেখিয়ে দেই। কিন্তু পরে মনে হলো আমাকে নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া দলেরও (আওয়ামী লীগ) একটি সিদ্ধান্ত থাকে, যার বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়। নাহলে আমি নির্বাচনের মাধ্যমেই সব প্রমাণ করে দিতাম।”
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাগুরা-১ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করলে সংসদ বিলুপ্ত হয় এবং সাকিবের সদস্যপদও খারিজ হয়ে যায়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...