বিজ্ঞাপন
রোববার (৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্স প্রবাহের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু কেনা এবং পরিবারের বাড়তি ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রবাসীরা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মোট ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭০ পয়সা) হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৮ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা।
এর আগে গেল মার্চ মাসে প্রবাসীরা ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছিলেন, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণের রেকর্ড। তারও আগে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০২ কোটি বা ৩ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে (জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল) দেশে মোট দুই হাজার ৯৩৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪৫৪ কোটি মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে নতুন আশার সঞ্চার করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...