ছবি : ভোরের বাণী
বিজ্ঞাপন
মাওয়া রেলওয়ে স্টেশন যাত্রী চলাচলের জন্য আন্ডারপাস, আন্ডারপাস থেকে উপরে উঠতে চলন্ত সিঁড়ি, ও অত্যাধুনিক লিফট, গাড়ি পার্কিং এর জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা সম্পন্ন পার্কিং।
বর্তমানে লোকাল একটি ট্রেন দিনে একবার থামে এ স্টেশনে। দিনে একবার এ স্টেশনে ট্রেন থামে বিধায় বাকি সময়গুলো স্টেশনটি লোকশূন্য হয়ে থাকে ফলে স্টেশনের মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চলন্ত সিঁড়ির যন্ত্রপাতি, কাচের থাই ও জানালা চুরি হয়ে গেছে, বাকি জানালা গুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। চুরি হয়ে গেছে লিফটের যন্ত্রপাতিও। স্টেশনে বর্তমানে যে দু’একজন আছে তাদের উদাসীনতায় এখানে ট্রেনের স্টপেজ হয় না বলে জানা যায়। ইতোমধ্যে স্টেশনের সিগনাল সিস্টেম ও তারও চুরি হয়ে গেছে।
স্থানীয় আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, আমি এখানে বিকেল বেলা প্রতিদিন হাটতে আসি এমন সুন্দর সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন আধুনিক স্টেশন আমি তেমন একটা বাংলাদেশে দেখিনি কিন্তু স্টেশনটিতে ট্রেন না থামায় আর লোকবল না দেওয়ার কারনে স্টেশনের মালামাল চুরি হচ্ছে। স্টেশনটির সৌন্দর্য ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে| তিনি আরো বলেন, এখান থেকে যেহেতু খুলনা, মংলা, রাজশাহী সহজে যাতায়াত করা যায় তাই খুলনা, মংলা, রাজশাহীর ট্রেনগুলো এখানে থামালে যাতায়াতের মাধ্যমে যাত্রীদের ব্যাস্ততায় স্টেশনটি পরিপূর্ণ ব্যবহার করা গেলে পদ্মার পাড় পর্যটন নগরীতে পরিণত হতে পারে।
বর্তমানে স্টেশনের একজন দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চাইলে পর্যাপ্ত লোকবল সংযুক্ত করে স্টেশনে ট্রেনের স্টপেজ দিয়ে স্টেশন পুরোপুরি সচল করতে পারেন। বর্তমানে একটি লোকাল ট্রেন থামে কোন আন্তঃনগর ট্রেন থামে না। ফলে স্টেশনের অবকাঠামো অনুযায়ী এর ব্যবহার সঠিক ভাবে না হওয়ায় স্টেশন অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। স্টেশনের মালামাল চুরি হচ্ছে। সিগনাল সিস্টেমের তার চুরি হওয়ায় তা অকেজো অবস্থায় আছে ফলে ম্যানুয়ালি সিগনাল দিতে হচ্ছে। এ নিয়ে জাতীয় গনমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে কিন্তু কোন সমাধান পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে স্টেশনটিতে ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও স্টেশনটি রক্ষণাবেক্ষণ করে এর সঠিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার জোড় দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...