বিজ্ঞাপন
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোঃ আল মামুন উল ইসলাম ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে জানান, গত ২৭ জুন অগ্রনী হাউজিং আবাসন লিমিটেডের ব্যবস্হাপনা পরিচালক আবদুল আজিজের সদররোডের অফিসে চার জন লোক ঢুকে আজিজের অন্ডকোষ চেপে মারধর করে জোর করে চেকে ও স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেয়।
সিসিটিভির ফুটেজে ধারণ করা ঘটনার ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী আবদুল আজিজ আদালতে একটি নালিশী মামলা করেন।
মামলার সুত্র ধরে ৫ জুলাই দুপুর ২ টার দিকে নগরীর সদর রোড এলাকা থেকে মোস্তাফিজুর রহমান ( লিটু) নামের একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
লিটুর বাসা নগরীর কাটপট্টি সড়কে, এবং তিনি মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবর রহমানের ছোট ভাই। এদিকে গ্রেফতারকৃত লিটু যুব দলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কথা শোনা গেলেও জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানান, লিটু যুবদলের কোন কমিটির সদস্য না। এমনকি যুবদলের কোন অনুষ্ঠানেও তাকে দেখা যায়নি।
ঘটনার শিকার অগ্রনী হাউজিং আবাসন লিমিটেডের পরিচালক আবদুল আজিজ জানান, লিটু আগে অগ্রনী হাউজিংয়ের অংশীদার ছিল। কিন্তুু প্রতিষ্ঠানের কাছে তার কোন পাওনা নাই।তার বিনিয়োগকৃত অর্থ তিনি বুঝে নিয়ে পাওনা নাই এই মর্মে লিখিত অংগীকার দিয়েছেন।
এদিকে ভুক্তভোগী আবদুল আজিজ বলেন, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় লিটু তার অফিসে কক্ষে ঢুকে তাকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার একটি চেকে এবং একটি সাদা চেক সহ দুটি সাদা স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেয়।
এ বিষয়ে গ্রেফতারকৃত মোস্তাফিজুর রহমান ( লিটু) বলেন, আবদুল আজিজ প্রতিষ্ঠানের অনেক অংশীদারের টাকা আত্নসাৎ করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার সময় যারা ছিল তারা সবাই অগ্রনী হাউজিংয়ের পরিচালক।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...