বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের আগড়ঘাটা বাজারের ভেদামাড়ী মোড় থেকে মরহুম মাওলানা শামছুর রহমানের বাড়ি হয়ে বিরাশী নতুন পুকুর অতিক্রম করে পূর্ব দিকে ব্যবসায়ী ছুরমান গাজীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার ইটের সলিং রাস্তা রয়েছে। এছাড়া গ্রামের ভেতরের বিভিন্ন সড়কেও ইটের সলিং করা হয়েছে। তবে ছুরমান গাজীর বাড়ির সামনে কাদের সরদারের বাড়ির উত্তর পাশের পুকুরসংলগ্ন স্থান থেকে স্থানীয় পেশ ইমাম সোহরাব গাজীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৯০ ফুট রাস্তা এখনো কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ওই অংশটি চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় দুই বছর আগে গ্রামের ভেতরের অধিকাংশ সড়কে ইটের সলিং করা হলেও রহস্যজনক কারণে এই ৯০ ফুট অংশটি বাদ পড়ে যায়। এরপর থেকে বছরের পর বছর রাস্তাটি কাঁচা অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ছুরমান গাজী বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানির কারণে বাজার, মাঠ, ঘাট ও মসজিদে যেতে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অবশিষ্ট অংশটুকু ইটের সলিং করা হলে গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে।
এ বিষয়ে কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী মোড়ল বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো দায়িত্ব পালন করছি। বিষয়টি আগে জানা ছিল না। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস জানান, “এ বিষয়ে আগে একটি আবেদন পেয়েছি। বর্তমানে কোনো বরাদ্দ নেই। তবে দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে, যাতে দ্রুত সমস্যার সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
স্থানীয়দের দাবি, মাত্র ৯০ ফুট রাস্তা এবং বেহাল কালভার্ট সংস্কার করা হলে বিরাশী গ্রামের শত শত মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...