বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৫ জুলাই) এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার রাতে পূর্ব লিবিয়ার উপকূলীয় শহর তোব্রুক থেকে ইতালির উদ্দেশে ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। কিছুদূর এগোনোর পরই নৌকাটি ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়। এতে থাকা অধিকাংশ যাত্রী সাগরের প্রবল স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হন।
পূর্ব লিবিয়া কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নৌকাডুবির পর মাত্র ১০ জন যাত্রী সাঁতরে কাছের বারদা দ্বীপে পৌঁছাতে সক্ষম হন। পরে কোস্ট গার্ড তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। তবে নিখোঁজদের সন্ধানে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লিবিয়ার উপকূল থেকে ইউরোপে যাওয়ার পথে একের পর এক নৌকাডুবির ঘটনা ঘটছে। গত মাসেই একই এলাকায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী আরেকটি নৌকা ডুবে ৫১ জন নিখোঁজ হন। নতুন এই দুর্ঘটনা সেই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিকেই আরও স্পষ্ট করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় এক দশক ধরে উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ কারণে লিবিয়ার উপকূল অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারকারী চক্রগুলোর অন্যতম সক্রিয় রুটে পরিণত হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই অনিরাপদ নৌকায় ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করতে গিয়ে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ মে পর্যন্ত লিবিয়ার উপকূলে অন্তত ৮০০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন। এসব নিখোঁজ ব্যক্তির বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দারিদ্র্যপীড়িত দেশগুলোর নাগরিক। উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে পৌঁছানোই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সূত্র : এএফপি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...