বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করে দ্বিতীয়বারের মতো জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সেখানে অবস্থানরত মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমান রাখার এলাকা এবং বড় আকারের সরঞ্জাম সংরক্ষণ হ্যাঙ্গার। ইরানের দাবি, এ হামলায় সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এদিকে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের ঘাঁটিতেও একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার সকালে পরিচালিত হামলায় ঘাঁটির কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, নৌ-সহায়তা ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, বিভিন্ন গুদাম এবং জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাঙ্ক লক্ষ্যবস্তু করা হয়। আইআরজিসির দাবি, এসব স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ড্রোন প্রতিহত করার সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, কুয়েতের মিনা আবদুল্লাহ এলাকায় অবস্থিত পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম প্রধান রসদ ও সহায়তা কেন্দ্রেও হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরআইবিতে প্রকাশিত পৃথক এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘নাসর-২’ অভিযানের চতুর্থ ধাপের অংশ হিসেবে ওই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করা হয়। তাদের দাবি, হামলার পর ঘাঁটিতে আগুন ধরে যায় এবং সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...