বিজ্ঞাপন
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল ও ইউট্যাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনা ও তার কুশীলবদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি মামলার বিচার শেষ হয়েছে এবং আরও অনেক মামলার বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তবে শেখ হাসিনার মধ্যে কোনো ধরনের অনুশোচনা দেখা যায়নি। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি কোনো দুঃখ প্রকাশও করেননি।
বরং গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তিনি এটিকে জঙ্গিবাদী তৎপরতার মাধ্যমে তাকে অপসারণের ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করছেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে এক হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল। আকাশ থেকে এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়ে দেশের মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ প্রশ্ন রাখেন, এত মানুষের প্রাণহানির পরও ভারত কি শেখ হাসিনাকে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির কোনো নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে? তার ভাষায়, “এটাই আমাদের প্রশ্ন।”
তিনি আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে। এখন চলমান বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ ও বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...