বিজ্ঞাপন
উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় সুঘাট ইউনিয়নের কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে সাতজন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। একইভাবে মধ্যভাগ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুই শিক্ষার্থীর দুজনই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠান দুটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
শুধু এই দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, উপজেলার আরও কয়েকটি মাদ্রাসার ফলাফলও হতাশাজনক। বেলগাছি মুসতি দেওয়ান দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র দুজন। অন্যদিকে, মির্জাপুর দাখিল মাদ্রাসায় ১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র চারজন।
মাধ্যমিক পর্যায়েও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল প্রত্যাশিত মানে পৌঁছাতে পারেনি। উপজেলার বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন ফলাফল করেছে মির্জাপুর ইউনিয়নের ভাদড়া উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার মাত্র ৩৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
তবে এর বিপরীতে উপজেলার স্বনামধন্য কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে উজ্জ্বল ফলাফল। শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে উপজেলার সেরা ফলাফলের শীর্ষস্থান দখল করেছে শেরউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ২০ শতাংশ।
দাখিল ও এসএসসি পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানভেদে এমন মিশ্র ফলাফলে অভিভাবক ও সচেতন মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনুত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি বলেন, অবহেলিত শিক্ষার্থীদের অনেক সময় মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...