Logo Logo

বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি

ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়কে আরও বড় করবে


Splash Image

ইরানকে চাপে ফেলতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ নামের অর্থনৈতিক অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়কে আরও বড় করবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের বিপুল বকেয়া ঋণ ও ক্রমবর্ধমান সুদের ব্যয় নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনকে কটাক্ষ করেছেন তিনি।


বিজ্ঞাপন


বুহষ্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সংকট থেকে জনগণের দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল। তাঁর দাবি, অভূতপূর্ব ঋণের বোঝা এবং ক্রমবর্ধমান সুদের খরচ থেকে মানুষের মনোযোগ অন্যদিকে সরাতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আরাগচি আরও বলেন, ব্যর্থ নীতিগুলোকে আরও জোরদার করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের পরাজয় যেমন আরও বড় হবে, তেমনি ইরানের সঙ্গে দেশটির শত্রুতার মাত্রাও বাড়বে। তাঁর ভাষায়, ট্রাম্পের কথিত অর্থনৈতিক অভিযান আসলে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাস’। এই ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে গত বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ নামে একটি অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন ট্রাম্প।

ওই পোস্টে ট্রাম্প বলেন, সামনে একটি সর্বাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। ইরানকে বিচ্ছিন্ন ও পরাজিত করতে সব মিত্র ও অংশীদারকে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান বর্তমানে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামনে নেওয়া ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কারণে দেশটির বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রকল্প পঙ্গু হয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ইরান কখনো পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।

ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দেন, এই অভিযান চলাকালে কোনো দেশ ইরানকে সহযোগিতা করলে সেই দেশকেও কঠোর অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

ইরানের সঙ্গে তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় ব্যবস্থা, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন ও ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রম বন্ধ করারও হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পরদিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মার্কিন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...