বিজ্ঞাপন
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ, বিপিএম-সেবা।
সভায় পুলিশ সুপার জানান, জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সুসংহত রাখতে সমন্বিত ও বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার সুবিধার্থে মণ্ডপগুলোকে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। পূজা চলাকালীন প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত সংখ্যক পোশাকধারী পুলিশ এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ দল গোয়েন্দা নজরদারিতে নিয়োজিত থাকবে।
এছাড়াও প্রতিমা বিসর্জনের নির্ধারিত সময়সূচি ও রুট কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিত করতে পূজা উদযাপন কমিটিকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব বা উসকানিমূলক পোস্টের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল সার্বক্ষণিক (২৪ ঘণ্টা) সক্রিয় থাকবে বলে জানানো হয়। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে নিকটস্থ থানা, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কিংবা জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুমে (০১৩২০১০০২৯৮) যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।
সভায় পুলিশ সুপার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নির্বিঘ্ন পূজা উদযাপনে জেলার সকল স্তরের নাগরিক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম কর্মীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
উক্ত মতবিনিময় সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...