Logo Logo

পঞ্চগড়ে ৪ সাংবাদিককে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান প্রেস কাউন্সিলের


Splash Image

পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে চার সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়ার অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (১৯ অক্টোবর) পঞ্চগড় সার্কিট হাউস কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি শুরু হওয়ার ঠিক পূর্বে জেলা তথ্য অফিসারের মাধ্যমে উক্ত অভিযোগটি উত্থাপন করেন পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোশারফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার।

যাদের বিরুদ্ধে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়, তাঁরা হলেন দৈনিক ইনকিলাবের তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম, বাংলা টিভির পঞ্চগড় প্রতিনিধি ও পঞ্চগড় জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ডিজার হোসেন বাদশা, বাংলাদেশ জার্নালের জেলা প্রতিনিধি ও জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশেদ এবং ডেইলি নিউ এজের জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহিম।

এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ দিন ধরে পেশাদারত্বের সাথে সাংবাদিকতা করা সত্ত্বেও স্রেফ ব্যক্তিগত ও হিংসাত্মক মনোভাব থেকে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা তথ্য অফিসারের সাহায্যে তাঁদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ এনেছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সেই অভিযোগ সঙ্গে সঙ্গেই নাকচ করে দেয় এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাঁদের সবাইকে নিয়েই প্রশিক্ষণের কাজ সম্পন্ন করে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালার রিসোর্স পার্সন এবং বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (যুগ্ম সচিব) মো. আব্দুস সবুর জানান, প্রশিক্ষণে মোট ৫৪ জন সাংবাদিকের নামের তালিকা ছিল। প্রথমে প্রেস ক্লাবের প্যাডে তালিকা পাঠোনো হলেও পরবর্তীতে কেবল সক্রিয় ও কর্মরত সাংবাদিকদের কম্পিউটার টাইপকৃত তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়।

কর্মশালা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ঢাকায় অবস্থানরত জেলা তথ্য অফিসার মুঠোফোনে জানান যে, পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদক ঐ চার সাংবাদিককে যেন প্রশিক্ষণে অংশ নিতে দেওয়া না হয় সে দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রেস কাউন্সিলের সচিব বলেন, কোনো সাংবাদিকের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে আপত্তি থাকলে অন্তত একদিন আগে লিখিতভাবে কারণ দর্শানো উচিত ছিল। কোনো লিখিত প্রমাণ ছাড়া এমন অভিযোগ গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হলে অভিযোগকারীরা চুপ হয়ে যান।

যোগাযোগ করা হলে জেলা তথ্য অফিসার মো. কবির উদ্দিন বলেন, এই অভিযোগ তিনি নিজে করেননি। জেলা প্রশাসনের কাছে মূল প্রেস ক্লাব এই অভিযোগ এনেছিল এবং পদাধিকারবলে জেলা প্রশাসক উক্ত কমিটিগুলোর সভাপতি ও জেলা তথ্য অফিসার সদস্য হিসেবে থাকেন। তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে আয়োজিত প্রশিক্ষণে তাঁদের সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...