বিজ্ঞাপন
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নলুয়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বেলায়েত হোসেন ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রফিক মিয়ার বাড়ির মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে নলুয়া গ্রামের আলাউদ্দিনের বসতঘরের পেছনে একটি কড়ই গাছের সাথে তার মরদেহ ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সী নিজের বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর তিনি বাড়িতে ফেরেননি। দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর পরদিন সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের তথ্যমতে, নিহত যুবক এলাকায় মাদক কারবারের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে গত কিছু দিন আগে তিনি মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চেষ্টা করছিলেন।
ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছে নিহতের পরিবার। তাদের অভিযোগ, মুন্সীকে অন্য কোনো স্থানে পিটিয়ে হত্যা করার পর মরদেহটি গুম করার উদ্দেশ্যে কড়ই গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মরদেহটি মহিলাদের ম্যাক্সি এবং ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ফাঁস দেওয়া ছিল, যা তাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।
খবর পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভূঁঞা জানান, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।"
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...