Logo Logo

মুকসুদপুরে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতারা


Splash Image

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। ইসলামী আদর্শভিত্তিক ন্যায়, ইনসাফ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রতি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং গণঅধিকার পরিষদের গোপালগঞ্জ জেলা, মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মুকসুদপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পার্টি অফিসে এক আনুষ্ঠানিক ও উৎসবমুখর যোগদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ নবযোগদানকারী নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। একইসাথে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারী নেতৃবৃন্দ হলেন— গোপালগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম; মুকসুদপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি মো. নাঈম সরদার; গণঅধিকার পরিষদ গোপালগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম খলিফা; মুকসুদপুর উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. আহাদ মোল্লা; কাশিয়ানী উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী; একই উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোরসালিন শেখ; মুকসুদপুর উপজেলা শাখার প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন মফিজ এবং মুকসুদপুরের উজানী ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরমান মোল্লা।

নবযোগদানকারী নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইসলামী আদর্শভিত্তিক, ন্যায়পরায়ণ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা তারা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন। এই উপলব্ধি থেকেই তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে তারা সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, এই যোগদানের ফলে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক শক্তি আরও সুসংহত ও গতিশীল হবে। একই সাথে ইসলামী রাজনীতির ভিত্তি আরও বিস্তৃত হয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

প্রতিবেদক- কেএম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ।।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...