বিজ্ঞাপন
রিট আবেদনে ড. কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়েছে। রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে এই আবেদনটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন এর আগে যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম—উভয়েরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ ওঠে যে, এম এ কাইয়ুম ‘রিপাবলিক অব ভানুয়াতু’-র নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেখানে তার বিশাল সম্পত্তি রয়েছে।
তবে এই অভিযোগকে শুরু থেকেই ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে আসছেন ড. এম এ কাইয়ুম। গত ১৯ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন যে, তিনি কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিক নন এবং ভানুয়াতুতে তার কোনো বিনিয়োগ বা বাড়ি নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পাসপোর্ট বা নথিপত্রকে তিনি ‘জাল’ ও ‘ভুয়া’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তিনি বলেন, “প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইন্টারনেটে যে নথির ছবি দেওয়া হয়েছে, তার স্বাক্ষরের সঙ্গে আমার প্রকৃত স্বাক্ষরের কোনো মিল নেই। আমি নির্বাচিত হলে রাজনীতিতে এই মিথ্যাচারের সংস্কৃতি বন্ধে কাজ করব।”
এদিকে, আদালতের অন্য এক আদেশে জানা গেছে, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা আপিল বিভাগ ফেরত দেননি। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। ওই আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ।
ঢাকা-১১ আসনে ড. কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত কী হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছেন ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...