বিজ্ঞাপন
জামায়াত-সমর্থিত জোটের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অনলাইনে কুৎসা রটনা ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
এক বিজ্ঞপ্তিতে ডা. মাহমুদা মিতু জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষা ও চরিত্রহননমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে, যার মাত্রা আগের তুলনায় শতগুণ বেড়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই অনলাইন হেনস্তার পেছনে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তির সমর্থকদের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং এই ধরনের আক্রমণের নৈতিক দায় তিনি এড়াতে পারেন না।
ডা. মিতুর ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণাঞ্চলে একজন নারী নেতা হিসেবে তার সাংগঠনিক সক্রিয়তা এবং জামায়াত জোটের পক্ষে দাঁড়িয়ে পাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়াই এই আক্রমণের মূল কারণ। নির্বাচনী পরিবেশে নারী রাজনীতিকদের মনোবল ভাঙার কৌশল হিসেবেই এই সাইবার বুলিং চালানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
উল্লেখ্য, ডা. মাহমুদা আলম মিতু গত ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় সাংগঠনিক টিমে ডেপুটি অর্গানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে তাকে ঝালকাঠি-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল এবং ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়। তবে দলীয় কৌশলগত কারণে ২০ জানুয়ারি তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জোটের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
সাইবার বুলিং প্রসঙ্গে ডা. মিতু বলেন, "দাঁড়িয়ে পাল্লার প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রতিপক্ষের নোংরামি বেড়েছে। তবে আমি ভয় পাই না। গণতন্ত্রে ভিন্ন মত থাকতেই পারে, কিন্তু মতের কারণে নারীদের হেনস্তা করা গ্রহণযোগ্য নয়।"
তিনি আরও জানান, এই প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে তিনি আইনি ও সামাজিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাবেন এবং নারী রাজনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...