বিজ্ঞাপন
এরই অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ড. আ. ক. ম. আকতারুজামান বসুনিয়া নীলফামারীর ঢেলাপীর এলাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবহুল স্থানে সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, ভয়ভীতি ও উদ্বেগের বিষয়গুলো সরেজমিনে শোনেন।
মতবিনিময়কালে ডিআইজি ড. আ. ক. ম. আকতারুজামান বসুনিয়া বলেন, “নির্বাচন একটি জাতীয় উৎসব। সকল ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণির নাগরিক যেন কোনো প্রকার ভয়ভীতি, চাপ বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—এটি নিশ্চিত করাই পুলিশ প্রশাসনের সাংবিধানিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, সনাতনী সম্প্রদায়সহ সকল ভোটারের নিরাপত্তায় পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার ঝুঁকিপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি, টহল জোরদারসহ ভোটের দিন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি যেকোনো অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বড়ুয়া বাজার এলাকার ভোটার জিতেন্দ্র নাথ বলেন, “পুলিশ প্রশাসন এভাবে সরাসরি আমাদের পাশে দাঁড়ানোয় আমরা আশ্বস্ত বোধ করছি। ভোট নিয়ে যে ভেতরের ভয় কাজ করছিল, তা অনেকটাই কেটে গেছে। এখন আমরা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারব।”
পুলিশ প্রশাসনের এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সনাতনী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণির ভোটাররা। তারা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি খোঁজখবর নেওয়া ও নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ায় তারা মানসিকভাবে স্বস্তি অনুভব করছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে নীলফামারী জেলার সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...