বিজ্ঞাপন
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার কতটা অটুট। প্রার্থীরা যে সংযম প্রদর্শন করেছেন এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছে, তার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই সফলতার চাবিকাঠি। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আজ সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
নির্বাচন সফল করতে নিয়োজিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাদের নিরলস নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক কর্মযজ্ঞ সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
বিজয় ও পরাজয় নির্ধারণের পরও যেন সম্প্রীতি বজায় থাকে, সে আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আমার অনুরোধ—চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
প্রফেসর ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আজ আবারও বিশ্বদরবারে প্রমাণ করেছে যে জনগণই সকল ক্ষমতার মূল উৎস। একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে আমরা এখন থেকে আরও দৃঢ়ভাবে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যাব।
এই নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, আজকের এই দিনটি আমাদের জন্য মহা আনন্দের। এর মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই অভিযাত্রায় আমরা যদি এই ধারা বজায় রাখতে পারি, তবে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছাবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...