বিজ্ঞাপন
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ইউনিব্লক নির্মাণকাজের সাইড ম্যানেজার মুরাদের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বাহার ও তার ক্যাডার বাহিনী। এই ঘটনায় ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মাহাবুব মিয়া বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা (মামলা নং-৪৫) দায়ের করেন।
মামলার বাদী মো. মাহাবুব মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ যেখানে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন, সেখানে নাপিত বাহারের মতো অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
অভিযোগ উঠেছে, বাহার গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে গাজী সোহাগের মতো প্রভাবশালীরা ব্যাপক তদবির শুরু করেছেন। এই গডফাদারদের ছত্রছায়ায় এলাকায় ভয়ংকর কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে, যারা রাতে প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রাখে।
জাতীয় দৈনিক ‘সকালের সময়’ পত্রিকায় এই চাঁদাবাজির খবর প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় একদিকে যেমন স্বস্তি ফিরেছে, অন্যদিকে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
হাড়োকান্দী এলাকার বাসিন্দারা জানান, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে তাদের এখন একমাত্র ভরসা জননন্দিত সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, তার বাবা মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ যেভাবে তাদের আগলে রাখতেন, কন্যা হিসেবে তিনিও সেভাবেই এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখবেন।
পুলিশ জানিয়েছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের ধরতে এবং সাংবাদিকদের হুমকির বিষয়টি তদন্তে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...